ভালোবাসার গল্প (Valobashar Golpo) | রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী

srstatus.com

ভালোবাসার গল্প
আপনারা যারা গল্প পড়তে আগ্রহী SRSTATUS আজ তাদের জন্য নিয়েএসেছে- ভালোবাসার গল্প, রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প, রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী, ভালোবাসার গল্প কষ্টের, ভালোবাসার গল্প কাহিনী, আবেগি ভালোবাসার গল্প, অসমাপ্ত ভালোবাসার গল্প, আশাকরি গল্পগুলি পড়লে আপনাদের ভালো লাগবে, যদি গল্পগুলি পরে অপনাদর ভালো লাগে তাহলে কমেন্টবক্স এ এটা কমেন্ট ও আপনাদের বন্ধুদের share করে দেবেন🙏🙏🙏

ভালোবাসার গল্প

ভালোবাসার গল্প

বেলাশেষে

হঠাৎ একদিন দেখা হয়ে যাবে আমাদের , একটা চেনা রাস্তায় কিন্তু অচেনা হয়ে যাওয়া একজনের সঙ্গে । তুমি থাকবে তোমার মানুষটার হাত ধরে ; আর আমি আগের মতোই একলা নিঃসঙ্গ । আগের চেয়ে আরোও একটু ম্যাচিওর হয়েছি আমরা । একে অপরকে আড়চোখে দেখবো , হঠাৎ চোখে চোখ পড়ে গেলে নামিয়ে নেবো দৃষ্টি । মেরুন রঙা শাড়িতে ব্যাপক লাগছে তোমায় । লম্বা চুলের গোছা কোমর ছাড়িয়েছে । চোখের কাজলটা আর একটু ঘন , কানে দুটো ঝোলা দুল । ভীষন সুখী দেখাচ্ছে তোমায় । কয়েক গাছা ক্লান্ত চুলের গোছা নেমেছে কানের পাশ বেয়ে । আমি তোমাদের পেরিয়ে এসে একনাগাড়ে চেয়ে রয়েছি পেছন ফিরে , বলা ভালো অনেকটা নির্লজ্জের মতোই । হঠাৎ করেই তুমি ঘুরে তাকালে । চোখাচোখি হয়ে গেলো আমাদের মধ্যে । কয়েক সেকেন্ড মাত্র …. কিন্তু সেটাই কয়েকশো বছরের মতো মনে হচ্ছিলো । কতো কিছু যে জমে আছে বলার জন্য , কিন্তু চেয়েও অপ্রকাশিত রয়ে গেলো অনেক কিছু …. । তুমি দেখতে পাচ্ছো না , কিন্তু আমার চশমার কাঁচটা ক্রমশ ঝাপসা হয়ে আসছে । আমাদের মধ্যে দূরত্ব মাত্র কয়েক হাত …. কিন্তু সত্যি যদি বলি , দূরত্ব কয়েকশো যোজন । চেনা রাস্তার দু’দিকে আমরা দুজন …. ভীষন অপরিচিত কী ! চেনা গন্ধটা আজ এতোটা পাল্টালো কিভাবে ! কেমন যেন দমচাপা একটা কষ্ট হচ্ছে । গলার কাছটা টনটন করছে খুব । ভেঙে পড়বো না তো ! আগলে নেওয়ার কেউ নেই যে এখন । না থাক , নিজের আবেগ গুলো বেঁধে রাখা ভালো । আমাদের ভালোবাসাটা অনেকটা বিশাল দীঘির বুকে ছায়া পড়া অসীম আকাশের মতো ; অস্তিত্ব নেই , তবুও আছে । আগের মতো আর বলতে পারবো না , ” ক্ষমা করা যায় না …. আরেক বার ? ” জানি অনেক দেরী হয়ে গেছে এসবের জন্য । মানাতে মানাতে একটা সময়ে মেনে নিয়েছি দু’জনেই । ভালোবাসাটা একটা সময় থিতিয়ে পড়েছে । জমা রয়ে গেছে কেবল একরাশ অভিমান , অভিযোগ আর প্রচুর স্মৃতি । থাক বরং এসব কিছু ভবিষ্যতের জন্য । সময় কেটে যাবে বেশ এগুলো নিয়ে । তবুও যদি কোনো এক মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যায় আচমকা , বারান্দায় এসে চুপচাপ বসে থাকি । চোখের সামনে শীতের শহর গায়ে কুয়াশার চাদর ঢেকে ঘুমাচ্ছে নিশ্চিন্তে । দূরে জ্বলে ওঠা জোনাকির আলোয় মজে যাই একটু একটু করে । তখন ভীষণ করে মনে পড়ে তোমার কথা । জানো তো , ভীষণ মিস করি তোমাকে । আটকাতে তো পারলাম না ; না হয় সুখি হোয়ো ভীষণ রকম , যেমনটা আমি রাখতে চেয়েছিলাম । আজ বরং বিদায় নিই । চোখ সরিয়ে নিলাম জোর করে । বুকের বাঁদিকে হাল্কা ব্যথা অনুভব করলাম । পা টা চলতে চাইছে না একদম । কিন্তু যেতে হবে যে , এখনো যে অনেকটা পথ চলা বাকি । তোমায় পাশে পেলাম না , আক্ষেপ হয়তো রইলো একটু । কিন্তু যেতে হলে এখন যাওয়াই ভালো ….. নইলে মায়া বেড়ে যাবে যে ! যা গেছে তা যাক , মনে যেন কোনো খেদ না থাকে । রাস্তার পাশের পাথরে হোঁচট খেলাম অন্যমনস্ক ভাবে চলতে চলতে । জানি না আর কখনো দেখা হবে কিনা ! একসাথে দার্জিলিং এর প্রথম সূর্যোদয় দেখা হবে না কখনো । ঢাকুরিয়া লেকের জলে ক্রমশ ডুবতে থাকা সূর্যের রঙে মিশতে মিশতে ” ভালোবাসি ” বলবো না আর কোনোদিন । ঝগড়া হবে না , অভিমান জমবে না , দু’জনের চোখের ভাষা পড়ার জন্য নতুন মানুষ চলে আসবে । তবু আমাদের মনের গভীরে পুরনো মানুষটা রয়ে যাবে সারাজীবন …. ভুলতে চেয়েও ভুলতে না পারার প্রতিচ্ছবি হিসেবে । এগিয়ে চললাম নিজের গন্তব্যে । ল্যাম্পপোস্ট গুলোয় আলো জ্বলে উঠছে । দু’জন মিলিয়ে যাচ্ছি সন্ধ্যের ভিড়ে । পাশের একটা বাড়ি থেকে মৃদু সুরে ভেসে আসছে রবীন্দ্রসঙ্গীত , ” তুমি রবে নীরবে ………. “

স্বাগতা( আরশি )
ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন ❤️😊 , পড়ে ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন , ধন্যবাদ 🙏

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী

ভালোবাসার গল্প

ইচ্ছে ছিলো তোকে নিয়ে রাস্তার ফুটপাত ধরে
হাঁটবো। হাটতে হাটতে সন্ধ্যা হয়ে যাবে আর
হঠাৎ করে জ্বলে উঠবে রাস্তায় দুপাশে অসংখ্য
সোডিয়াম বাল্ব।
আবছা আলো ছায়ায় আমরা হাঁটবো আর
এত্তো এত্তো গল্প করবো
ইচ্ছে ছিলো তোর পাশাপাশি হাঁটবো আর ওই
ছোট্ট রাস্তার পাশে মামাটার দোকানে কড়া
লিকার এর চা খাবো
ইকটু ইকটু করে তোকে এত্তো ভালোবাসবো।
তোকে নিয়ে একটা সুন্দর দিন কাটাবো। এতো
এতো গল্প জমায় রেখে দিছি আমার ছোট্ট
পেন্সিল বক্স টাতে। জানিস প্রতিদিন কত কথা
জমাই তোর জন্য??
অবশেষে আমার সেই স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে
গেলো।
খুজে পেলাম না তোকে। বলা হলো না আমার
ছোট্ট পেন্সিল বক্স টাতে আটকায় রাখা তোর
জন্য জমানো গল্প গুলা
আমি সত্যিই খুজে পেলাম না আমার সেই
তোকে। ছায়া তোর হয়ে আছি তাই ইচ্ছে হলেই চলে
আসিস কিন্তু দুর এর ছায়া হয়ে আবার চলে যাস রোদকে
সঙ্গে করে ..
.
জানিস তোকে আর খুজতে চাইনা বলেই খুলে
দিয়েছি আমার পেন্সিল বক্স টা। সব গল্প গুলা
নিজের মতো করে উড়ে যাচ্ছে,ঐ দূরে চলে
যাচ্ছে…
আজ আর আটকাচ্ছি না তোকে বলার জন্য।
তোকে বল কি করে বোঝাই আমি এরকমই।
নিজের মধ্যেই ডুবে থাকতে পছন্দ করি। মনে হয়
নিজের মন বোকা মন তাই তোকে খুজে।
তুই উড়ে যা,তোর চলে যাওয়া দেখে নিজেকে বুঝাই
“খুজে পাইনি তোকে “…
মিশে যা তুই ঐ দুরের আকাশে। আমি খুজে
নিবো কোনো এক মেঘে…
ভালোবাসি তোকে
পেন্সিল বক্স টা খালি করে বন্ধ করে দিলাম, রাখতে চাস না
আর নিজেকে
আমার কি মনে হয় জানিস?ঐ যে নীল আকাশে
কিছু সাদা মেঘ দেখতে পাচ্ছিস? ঐ সাদা মেঘ
গুলা তুই আর আমি তোকে আজো দেখতে
পাচ্ছি। সত্যিই চোখ বন্ধ করে তোকে দেখতে
পাচ্ছি,তাই সকালের ঠান্ডা চোখে আমি
আকাশের দিকে তাকাই আর তোকে খুজি।
ভালো থাকিস তুই আমার নীল আকাশের কিছু
অংশ জুড়ে সাদা আকাশের রুপ ধরে।
দেখে রাখবো তোকে আমার মতো করে।
ঘুমিয়ে থাক তুই তবুও তোকে দেখে যাই আমার
স্বপ্নের ঘোরে …
— ক্যাকটাস —

ভালোবাসার গল্প কাহিনী

ভালোবাসার গল্প

#স্কুলের_প্রেম_পরিণতি_পেলো_বিয়েতে
স্কুলজীবন থেকে শুরু হয়েছিল সম্পর্কটা, তারপর হাজারটা ঝড়ঝাপ্টা পেরিয়ে বিয়েতে পরিণতি পেলো ওঁদের প্রেম….
সম্পর্ক এমনি এমনি তৈরি হয়ে যায় না, অনেক এফোর্ট লাগে, অনেক সময়, অনেক পরিশ্রম লাগে একটা সম্পর্ককে লালন করতে….
অনেকসময় স্রেফ একটা সম্পর্ককে গুরুত্ব দিতে গিয়ে বাকি অনেকগুলো সম্পর্ক হারাতে হয়, ছাড়তে হয় মাঝপথে….
প্রতিটা সম্পর্ক আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু অনেকসময় স্রেফ একটা সম্পর্ককে বেছে নিতে হয়….
মানুষ নিজের জীবনে একটা সম্পর্ককে বাঁচাতে গিয়ে হাজারটা সম্পর্ককে অনেকসময় অনিচ্ছেকৃত মেরে ফেলে….
কি যেন একটা শব্দ আছে “নিব্বা নিব্বি”, এই নিব্বা নিব্বিদের নিয়ে বেশ খিল্লি করা হয় সব জায়গায়…..
নিব্বা নিব্বি তাদেরকেই বলে যারা অল্প বয়স থেকে প্রেম করে, হাজার হাজার প্রতিশ্রুতি দেয়। একজন ভাত না খেলে আর একজন খায় না, সামান্য অভিমানে হাত কেটে ফেলে, কান্নাকাটি করে নিজের মাথা ঠোকে দেওয়ালে….
হ্যাঁ, তাদেরকেই নিব্বা নিব্বি বলে খিল্লি করা হয়। কিন্তু বুকে হাত রেখে বলুন তো আমাদের অল্প বয়সের প্রেমগুলোয় আবেগ বেশি ছিলো কিনা!…
আমাদের অল্প বয়সের প্রেমগুলোয় প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার দায়িত্ব বেশি ছিলো কিনা! একবার ভেবে বলুন তো আমাদের অল্প বয়সের প্রেমগুলোয় যত্ন, আবদার, অভিমান বেশি ছিলো কিনা!….
যাইহোক, যারা হাজার হাজার ঝড়ঝাপটা পেরিয়েও থেকে যেতে জানে, যারা নিজের জীবন দিয়ে প্রতিশ্রুতি রাখতে জানে, যারা হাজারটা যন্ত্রণা সয়েও নিজের ভালোবাসার মানুষকে আগলে রাখতে জানে, তাদের থেকে সুন্দর মানুষ এই পৃথিবীতে নেই….
🌸
লেখা–Kripa BaSu
ছবি-শর্মী দে…

এছাড়াও পড়ুন:- Love Quotes In Bengali

খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প

ভালোবাসার গল্প

আজও_ভালোবাসি

ডিসেম্বরের শেষ রাতে আলোয় মোড়া খামে ,
ভেজা শিশিরের গন্ধে একখানা চিঠি শুধু তোমার নামে ।

রজনীগন্ধার মালা-টা শুকনো হয়ে গিয়েছে প্রিয় ,
তবুও নিষ্ঠুর অতীতের স্মৃতি হিসেবে সেটুকু না হয় রেখে দিও ।

তোমার ক্লান্ত কপালে যে আদর মেশানো ঠোঁট একদিন কবিতা সেজেছিলো ,
আজ শেষ রাতে সেই না হয় চিরতরে তোমায় মুক্তি দিয়ে গেলো ‌।

ক্ষুধার্ত মানুষের ভিড়ে কিংবা তাদের উলঙ্গ বাসনায় –
নিজেকে নিমজ্জিত করে দিও কিংবদন্তির অভূতপূর্ব ভাবনায় ।

প্রেমিকার নরম আদরে কিংবা প্রেমিকের উষ্ণ স্পর্শে –
তুমি আজও চির উজ্জ্বল ভবিতব্যের প্রতিটি দর্শে ।

যদি কখনো একলা আবেগে কাউকে জড়াতে মন-টা চায় ;
বুঝে নিও এ শুধু আমি নয় , তোমার নিজেরও লুকানো দায় ।

এই শীতের রাতেও নগ্ন পুরুষ নারীর স্তনে গরম পায় ,
ভেজা চোখে দৃষ্টিহীন-ও বাজির শব্দে মুখ ফেরায় ।

ডিসেম্বরের বুকের গভীরে লুকিয়ে আছে এক অজানা ক্ষত ;
কামনা , বাসনা , যৌন-ক্ষুধা সব এরই মধ্যে নিমজ্জিত ।

শেষ বিদায়ের দিনেও যদি উপহার দাও টুকরো হাসি ,
হয়তো আমি বলবো প্রিয় #আজও_তোমায়_ভালোবাসি ।।

©স্বাগতা ( আরশি )  

এছাড়াও পড়ুন:- Bengali Love Poem

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

ভালোবাসার গল্প

— ” আমার একটা কথাও তুই শুনিস না আজকাল । কিসের এত ব্যস্ত থাকিস যে ঠিক করে আমার সঙ্গে দুটো কথা বলার সময় পাস না ? গত পাঁচ দিন ধরে লক্ষ্য করছি , তুই যেন কিছু লুকাচ্ছিস আমার কাছ থেকে ! সত্যি করে বলতো , অন্য কাউকে ভালো লেগে গেছে বুঝি ?! “

— ” হুস , তুই চুপ কর । তোদের মেয়েদের আর কোনো কাজ-বাজ নেই । সারাক্ষণ শুধু একটা ছেলেকে সন্দেহ আর সন্দেহ । আদৌ কোনোদিন ভালোবেসেছিলি আমায় ? “

— ” হ্যাঁ , এখন তো বলবিই এইকথা । তুই-ই তো আমার পিছনে ঘুরঘুর করতিস । তোকে পাত্তা দিতাম না ; তা সত্ত্বেও তুই আমার পিছন ছেড়েছিলি ? ছাড়িস নি । তার ওপর অবনী-দা , বাবাই-দা , টুবলু-দা — এরা যখন এদের ভালোবাসার কথা বলতে আসতো , তুই পরে তোর দলবল নিয়ে গিয়ে ওদের অবস্থা টাইট করে দিয়ে আসতিস যাতে ওরা আর আমার পিছনে না পড়ে । কেন , এইসব করার বেলা মনে ছিল না ?? “

— ” পাগল নাকি তুই ? ওরা তোকে ডিস্টার্ব করতো আর আমি ‘as a gentleman’ তোকে ওদের থেকে রক্ষা করতে যেতাম , বুঝলি ! “

— ” ওরে আমার জেন্টেলম্যান’ রে ! As a gentleman , আমাকে ওদের থেকে বাঁচানো আর একইসাথে ওপাড়ার তনু-দি , ক্লাস টুয়েলভ-এর রিম্পা , তোর থেকে দু বছরের বড়ো পৃথা-দি —- এদেরকে লাইন মারার বেলা মনে থাকে না , না ! “

— ” আরেহ ছি ছি ! এসব কি কথা বার্তা ? ওদের আমি সবসময়ই দিদি বা বোনের নজরে দেখে এসেছি । রাম-রাম ! তুই এত ভুলভাল ভাবিস কেন ? “

— ” হ্যাঁ রে , আমি তো ভুলভাল ভাবি । তাই জন্যে তোর কোটের পকেট থেকে সেবার পৃথা দি-কে ডেডিকেট করে লেখা লাভ লেটারটা খুঁজে পেলাম , যেটাতে পরে কি এক্সকিউজ দিলি যে , ওটাতে নাকি আমার নাম লিখতে গিয়ে ভুল করে পৃথা দি-র নাম লিখে দিয়েছিস । তোদের তো পেটে পেটে শয়তানি । “

— ” এখন তো বলবিই ওই সব । মনে আছে তোকে বারবার জিজ্ঞেস করেছিলাম , সারাজীবন আমায় ভালবাসবি তো ? তখন তো যৌবনের প্রারম্ভ , খুব মেতে উঠেছিলি । কত কথা … আহহা ! “

— ” এই …. এই । একদম মিথ্যে কথা বলবিনা । কি শয়তান রে তুই ! একবারও তুই এইভাবে কথা বলিস নি । তখন তো আমার সঙ্গে কথা বলতে গেলে যেন সারা রাজ্যের লজ্জা এসে তোর মুখে লুকিয়ে পড়তো । এসব ঢঙের কথা বলতে আসবি না আমায় , বুঝেছিস ! “

— ” মোটেও না , আমি ছিলাম পুরুষসিংহ । নিজের মুখে সব কথা বলতে হয় নাকি সব সময় ! মেয়েদেরও মাঝে মাঝে কিছু বুঝে নিতে হয় । তবেই না ‘পতিব্রতা সতি’ হতে পারবে । “

— ” হ্যাঁরে , আমরাই সারাজীবন ‘পতিব্রতা সতি’ হয়ে থাকি আর তোরা রিম্পা-দি , ঝিনুক-দি এদের পিছনে পড়ে থাক ; তাই তো ! “

— ” ছিঃ ছিঃ ! আমাদের কথার মধ্যিখানে আবার দিদিদের নিয়ে কেন টানাটানি ? ওরা দিদি হয় , বয়সে বড় , তাই …. “

” ………তাই ওদের লাইন মারাই যায় , কি বলিস ! “

— ” ছ্যা ছ্যা , এসব আমি ঘূণাক্ষরেও ভাবি না । তোর মতন এক সুন্দরী রমনী থাকতে অন্য কোনো মেয়ের দিকে আমি চোখ তুলেও তাকাই না । “

— ” তা বলছি , এটা তোর কত নম্বর ঢপ হলো ? “

— ” ঢপ ! কি যা তা বলছিস ? আমি কি কোনোদিনও তোর থেকে কিছু লুকিয়েছি ? “

— ” না না , কিচ্ছু লুকোস নি । সে জন্যেই তো গতমাসে তোর প্যান্টের গোপন পকেট থেকে ‘classic’ এর একখানা গোটা নতুন প্যাকেট বের করলাম । কি বললি , সেটা নাকি তোর অফিসের কলিগ ভুল করে তোর পকেটে ফেলে দিয়েছে ! “

— ” হ্যাঁ …. না মানে …. সে তো দিয়েছেই । ভুল করে করে ফেলেছিল বেচারা ….. “

— ” আচ্ছা , এক কাজ কর । তোর ওই কলিগের নাম্বারটা দে । আমি ফোন করে জিজ্ঞেস করি যে এরকম ভুল সে আর কত জনের সঙ্গে করেছে ! “

— ” আরে বাবা , ছাড় না । এত দিনের পুরনো কথা সে কি আর মনে রাখবে ? ! “

— ” এমন কিছু বেশিদিন হয়নি কিন্তু , তুই চাইলেই আমি …… “

— ” না না , ছাড় না এসব কথা । পুরনো চাল ভাতে বাড়ে , পুরনো কথায় তর্ক বাড়ে । ওসব বাদ দে , তুই বল সামনে তো পুজো আসছে , শপিং-টপিং করতে বের হবি না নাকি ?! “

— ” বলিস কি রে ? তুই এই প্রশ্ন আমায় জিজ্ঞেস করছিস ? ওদিকে তোর রিম্পা-দি …… “

— ” তোর কি মুখে আর কোন কথা নেই এসব ছাড়া ? এত সন্দেহ করিস আমায় তুই ?! “

— ” না করে উপায় কি বল ! কাল রাতেই তো তোর বেস্ট ফ্রেন্ড শান্তনু চ্যাটার্জির সঙ্গে কথা বলছিলি আর জিজ্ঞেস করছিলি তোদের কলেজের এককালের সবচেয়ে সুন্দরী সেই অম্বিকা সেনগুপ্তের সঙ্গে আর যোগাযোগ আছে কিনা তার ?! তুইও নাকি বড্ড মিস করিস তাকে আজকাল । “

— ” ইয়ে মানে তোকে এসব কে বললো ? জানতাম … জানতাম ….. আমাদের সম্পর্কের মধ্যে কোনো তৃতীয় ব্যক্তি ভাঙ্গন ধরানোর চেষ্টা করবেই । বিশ্বাস কর তুই , আমি …. “

— ” কাল যখন তোর বন্ধুর সঙ্গে কথা বলছিলিস ড্রইং রুমে বসে , আমি সেই অন্ধকারে আগে থেকেই সোফায় শুয়ে ছিলাম , তুই লক্ষ্য করিস নি । কিন্তু তোর কথা আমি সব শুনেছি স্পষ্ট , একেবারে আমার এই কান দিয়ে । “

— ” শেষপর্যন্ত তুইও না সন্দেহ করছিস ? তুই লুকিয়ে লুকিয়ে গোয়েন্দাগিরি শুরু করে দিলি আমার ওপর ? এ যেন আমি ভাবতে পারছি না …. শেষ পর্যন্ত ঘর শত্রু বিভীষণ !? “

— ” আর বেশি ভাবিস না , কারণ বেশি ভাবতে চেষ্টা করলে এবার আমি লঙ্কাকাণ্ড বাঁধিয়ে দেব । বুঝতে পেরেছিস ! “

— ” হায় হায় , এ যে দেখি সর্ষের মধ্যে ভূত ! এবার আমার কি হবে গো ! বলি ও গিন্নি , তোমার এই বুড়ো কত্তাটাকে একটুও ভালোবাসো না , তাই না ! এ বুড়ো বয়সে আমি কোথায় যাবো গো ! ভাবছি বড়ো খোকাকে ফোন করে কাল-ই আমেরিকায় পাড়ি দেব আর নয়তো ছোটো খোকাকে ফোন করে মাদ্রাজ । “

— ” তারচেয়ে বরং মেজো মেয়ের বাড়ি চন্দননগর চলে যা কিংবা ছোটো মেয়েকে ফোন করে বল শান্তিনিকেতন থেকে তোকে নিতে আসতে । তারপর বাড়িতে আমি কয়েকটা দিন না হয় একটু শান্তিতে ঘুমাবো । “

— ” একি বললে গিন্নি ! আমাকে ছাড়া তুমি থাকতে পারবে ? তোমার কষ্ট হবে না , না ! সে তুমি যাই বলো , As a gentleman আমি তোমাকে সারা জীবন আগলে রাখার দায়িত্ব নিয়েছিলাম , আর সেটা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবো । “

— ” এই বুড়ো , আগে এটা বল সিগারেট না খাওয়ার প্রতিজ্ঞাটা কবে থেকে শুরু করবি ? হতভাগা , তুই এখনো সিগারেট ছাড়তে পারিসনি , তুই নাকি আবার নিজের দায়িত্ব পালন করবি ! বলি ঢং হচ্ছে , অ‍্যা ! বুড়ো বয়সে ভীমরতি । “

— ” এতটা নিষ্ঠুর তুমি হতে পারবে প্রিয়ে !? তুমিতো আমার জানের জান , পরানের পরান ; হিয়ার মাঝে কেবল তোমারই স্থান । জানি আমি , তুমি আমায় খুবই ভালোবাসো , কিন্তু কোনোদিনও বলো না কেন গো ?! “

— ” তোকে আমি ভালোবাসি ? এটা কে বললো ? অন্য কেউ আছে আমার ভালোবাসার । “

— ” বলিস কি ? আমাকে ছেড়ে দিবি তুই ! “

— ” না দিয়ে উপায় কি বল ! কোনোদিন কোনো গুরুত্বপূর্ণ তারিখ মনে রেখেছিস ? রাখিস নি । আমার জন্মদিনটা তো ভুলেই গিয়েছিস । সে না হয় বাদ দিলাম , কিন্তু না , আর সহ্য হচ্ছে না । “

— ” বেশ বেশ ! আমিও ভাবছিলাম কয়েকদিন ধরে তোকে কথাটা বলবো কিন্তু কিভাবে শুরু করবো বুঝতে পারছিলাম না …. “

— ” কি কথা ?! “

— ” এই যে , আমার প্রাক্তন প্রেমিকা ফিরে এসেছে আর আমি ওকে বিয়ে করতে চাই । তবে তার জন্য আগে তোর থেকে ডিভোর্স নিতে হবে , কিন্তু তুই রাজি হবি না হয়তো ; তাই আগেভাগে এমন কিছু করছিলাম যাতে নিজে থেকেই তুই এরকম একটা সিদ্ধান্ত নিস আর আমিও তোর থেকে মুক্তি পাই । “

— ” বাহ্ , এইতো তুই জেন্টেলম্যান , তাই না ! বুঝলাম… বুঝলাম… তোদের ভালোবাসা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কর্পূরের মতো উবে যায় । বেশ এতদিন তোর খেয়াল রেখেছিলাম , ভালোবেসেছিলাম , কিন্তু তুই তো ………. আচ্ছা বাদ দে । কিছু কি বলবি তুই আর ? “

— ” উমম , এটাই বলার যে ডিভোর্স পেপার রেডি , আমার সই করা হয়ে গেছে । কাল সকালে শেষবারের মতো না হয় তোর সঙ্গে আমার দেখা হবে । তোকে দেওয়া পছন্দের শাড়িখানা পড়ে নিস , ভালো লাগে তোকে । “

— ” সে নিয়ে তোকে ভাবতে হবে না । ডিভোর্স চেয়েছিস , কাল-ই না হয় তোকে ডিভোর্স দিয়ে দেবো । তোর পছন্দের মাটন বিরিয়ানি করেছিলাম , ফ্রিজে রেখে দিচ্ছি , খেয়ে নিস । আমার খিদে নেই , আমি শুতে চললাম । তার ওপর আবার প্যাকিং করতে হবে জামাকাপড়ের । সবকিছু নেব না রে , কয়েকটা শাড়ি-ই যথেষ্ট আমার জন্য । ভাবছি বড়ো মেয়ের বাড়ি চলে যাবো , সেখান থেকে না হয় দেখা যাক কোথায় যাই । তুই খেয়াল রাখিস নিজের , বুঝলি ! গুড নাইট । “

— ” হুমম , শুভ রাত্রি । “

[ পরদিন সকাল বেলায় দুজনের দেখা হয় বাড়ির সামনের সেই ছোট্ট বাগানটাতে , যেটা একসময় দুজনে তিল তিল করে গড়ে তুলেছিলো ।

একজনের পরনে নীল রঙের একখানা শাড়ি , যেটা তার ভালোবাসার মানুষটা তার জন্মদিনে তাকে উপহার দিয়েছিলো ।

আর তার উল্টো দিকের মানুষটা ! সে ততক্ষণে একখানা হাত পিছনে রেখে এক পা , এক পা করে এগিয়ে আসে তার জীবন সঙ্গিনীর দিকে ।

জল টলমল চোখে বৃদ্ধা তাকান তার এতো বছর ধরে প্রত্যেকটা হাসি-কান্নার মুহুর্তের সাক্ষী হয়ে থাকা মানুষটার দিকে । তাকিয়ে দেখেন মানুষটার ঠোঁটে স্মিত হাসি ।

তাদের দুজনের মধ্যে দূরত্বের ব্যবধানটা আর মাত্র দুই হাত । বৃদ্ধা ভয়ে চোখ বুঝে নেন । এই কঠিন বাস্তব যে উনি সহ্য করতে পারবেন না । এরকম চিন্তা ভাবনা তো তার মাথাতেই আসেনি কোনোদিন । এরকম কিছু ঘটতে পারে এটা তিনি আঁচ-ই করতে পারেননি ।

বৃদ্ধ চুপচাপ তাকিয়ে থাকেন তার পঁয়ষট্টি বছরের এই সুন্দরী জীবন সঙ্গিনীর দিকে । নীল রঙের শাড়িতে বড্ড মানাচ্ছে তাকে । চোখ ফেরানো যাচ্ছে না । এই বুড়ো বয়সে যেনো তিনি নতুন করে প্রেমে পড়ছেন । পলক না ফেলে তাকিয়ে থাকেন বৃদ্ধ তাঁর মনের মানুষটির দিকে ।

বৃদ্ধার চোখ বুজে গিয়েছে । তিনি চিন্তা করছেন , কখন তার ভালোবাসার মানুষটা তার সঙ্গে সম্পর্কের শেষ চিহ্নটা বের করে দেবে ! বুকটা ভয়ে ঢিপঢিপ করছে ।

বৃদ্ধ আলতো হাসলেন , তারপর পিছনে রাখা হাতখানা সামনে আনলেন ‌। হাতে ধরা একখানা লাল রঙের গোলাপ ।

এই গোলাপ তার আর তার ভালোবাসার মানুষের অদ্ভুত এক বন্ধন । প্রথম যেদিন প্রেমে পড়েছিলেন বৃদ্ধ , পনেরো বছরের এই সুন্দরীকে দেখে ; তারপর থেকে অন্য কারোর ওপর চোখ গেলেও মনের মানুষের জায়গা আর দেননি কাউকে । শুধু মাঝে মাঝে ভালোবাসার মানুষটাকে রাগানোর জন্য অন্যান্য মেয়েদের কথা বলতেন , যেটা শুনে অভিমানে , রাগে সুন্দরীর ফর্সা গাল দুটো লাল হয়ে যেত কিংবা কোনো কোনো সময় চোখে জল চলে আসতো , যেটা দেখে স্থির থাকতে পারতেন না উনি । গলা ছাড়িয়ে হাসতে হাসতে , কাছে টেনে নিতে তার আদরের এই প্রেমিকাটিকে ]

— ” কিরে চোখ খুলবি না ? তাড়াতাড়ি খোল । দেরি হয়ে যাচ্ছে তো । “

[ বৃদ্ধা বিমর্ষ মুখে খুবই আলতোভাবে খুললেন দুই চোখ আর তারপরই চমকে গেলেন । একি ! কোথায় ডিভোর্স পেপার ? এ তো তার পছন্দের লাল গোলাপ । তবে কি তার মানুষটা গতকাল তার সঙ্গে মজা করছিলো ? আর কিছু ভাবতে পারেন না বৃদ্ধা , তার মধ্যে এতক্ষণ যে ভয়টা কাজ করছিলো , সেটাই আনন্দে পরিণত হয়ে চোখ দিয়ে জলের আকারে বেরিয়ে আসে ।

বৃদ্ধ হাঁটু মুড়ে বসে পড়েন তার এই সুন্দরী প্রেমিকার সামনে । তারপর ফুলটা বাড়িয়ে দেন তার দিকে আর উন্মুক্ত কন্ঠে বলে ওঠেন , ]

— ” Happy 50th married anniversary to you my sweetest dreams girl , love u 3000 times , 50 বছর ধরে তো জ্বালাতন করলি ; কথায় কথায় প্রিয়া-দি , সুপর্ণা-দি — সবাইকে টেনে আনলি । আজকের দিনটা কিন্তু শুধু তোর আর আমার । আজ যেনো আবার কোনো দিদিকে টেনে আনিস না । বুঝলি রে পাগলি ! জীবনের শেষ দিনটাতেও তোর এই পাগলামি , অভিমান , ভালোবাসা — এসব দেখে আমি চোখ বুঝতে চাই । কিরে , আছিস তো আমার সঙ্গে ? “

[ বৃদ্ধার দু’চোখে তখন আনন্দের জল । কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বৃদ্ধা বলে ওঠেন , ]

— ” থাকবো রে জানোয়ার , থাকবো । তুই সত্যিই আমায় কোনোদিনও একটু শান্তিতে থাকতে দিলিনা । যা যা , কোথায় যাবি বলছিলি না , চন্দননগর না কি আমেরিকা ! যেগে যা ।। “

— ” কি যে বলিস ! তোকে ছেড়ে যাবো কোথায় ? “

— ” কেনো , তোর সেই সুন্দরী অম্বিকা সেনগুপ্তর কাছে । “

— ” হুস পাগলী , আমি জানতাম তুই সেদিন ওখানে বিশ্রাম নিচ্ছিলি । তাই তো মজা করে ফোনে কথা বলার অ্যাক্টিং করছিলাম । ওসব ‘অম্বিকা’ বলে কেউ নেই রে । তোকে জাস্ট একটু রাগাতে চেয়েছিলাম , যাতে তুই ভাবিস যে , আমাদের এই অ্যানিভার্সারির তারিখটা আমার মনে নেই । আর দেখ তাই হল …. হিহি……. “

— ” সত্যিই তুই জন্ম শয়তান । আমি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম । অসভ্য ছেলে কোথাকার …. না না সরি , অসভ্য লোক কোথাকার ! “

— ” সে যাই বল , বয়সটা জাস্ট একটা নাম্বার । আমার কাছে তো তুই এখনো সেই পনেরো বছরের বাচ্চা মেয়েটাই আছিস রে , আর আমি তোর সেই কলেজে পড়া বুবুন-দা । তাইতো রে খেপি ! “

— ” যাহ্ , তোর সঙ্গে একটাও কথা বলবো না । সব সময় রাগাবে , একটুও ভালোবাসে না আমায় । “

— ” আচ্ছা বাবা , ঠিক আছে । আর এতো অভিমান করতে হবে না । আজকের সারাদিনটা তোর সঙ্গে জমিয়ে উপভোগ করবো । সিনেমার টিকিট কাটাই আছে , দুপুরের খাবারটা গঙ্গার পাড়ে সেই সঞ্জুদার ভাতের হোটেলে বসে খাবো । ছেলেমেয়েদের নেমন্তন্ন করেই দিয়েছি , বিকেলের মধ্যেই সবাই এসে পড়বে হইহই করে । আর তারপর রাতে হবে গ্র্যান্ড ধামাকা । কিরে , এবার তো আর আমাকে ভুলোমনা বলবি না ? “

— ” উমম , সেসব তো ঠিকই আছে । আচ্ছা প্রিয়া-দি টা কে ? এর ব্যাপারে তো আগে শুনিনি । “

— ” ইয়ে মানে …. মনে পড়ছে না এখন……. কেউ হবে হয়তো বা …….. “

— ” এইতো এক্ষুনি বললি , তোর সবকিছু মনে থাকে ! “

— ” আরে , তোর আর আমার ব্যাপারে সব মনে থাকে । বাকিরা তো সবাই টেম্পোরারি , ওদের নিয়ে তাই তেমন কিছু মনেও রাখি না । “

— ” হুঁ হুঁ , আমাকে কি তুমি এখনো সেই বোকা মেয়েটা মনে করেছো ? আজকের দিনটা তোমার মনে আছে বলেই ছেড়ে দিলাম , নাহলে না মজা দেখিয়ে দিতাম । বুঝলে ? “

— ” ওহে দেবী , বুঝেছি সব । এবার এই ভক্তের ওপর একটু করুনা করুন । আপনার জন্য একখানা ‘স্পেশাল গিফট’ অর্ডার দিয়েছি ; সেটাও কিছুক্ষণের মধ্যে এসে পড়বে । দয়া করে রাগ করবেন না । বড্ড ভয় খেয়ে আছি আমি । আপনি এবার আদর করে সেই ভয় থেকে আমায় মুক্তি দিন । “

— ” বাজে লোক একটা , খুব ভালোবাসি তোকে । কোনোদিন যদি বলিস যে অন্য কারোর উপর ক্রাশ খেয়েছিস , সেদিন তোর একদিন কি আমার একদিন ! “

— ” তথাস্তু দেবী । Love you Darling , love u so much . “

— ” Love you too ….. শয়তান লোক ! “

 💓💓💓 ধন্যবাদ 💓💓💓

আমাদের সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়বার জন্য ধন্যবাদ, আশাকরি আপনারা যেই রোমান্টিক পিক এর জন্য পোস্টটিতে  এসেছিলেন সেটা পেয়েছেন,

💟💟💟যদি আমাদের পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগে থাকে, তাহলে নীচে👇 কমেন্ট বক্সে একটা কমেন্ট করবেন দেবেন।

⭐⭐⭐আমাদের পোস্ট গুলো নিয়মিতভাবে আপডেট করা হয়। তাই আরো নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প​পেতে আমাদের সঙ্গে সংযুক্ত থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.